মঙ্গলবার   ২৩ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৭ ১৪২৬   ২০ জ্বিলকদ ১৪৪০

১৫৬

জাবালে নূরের বাসচাপায় নিহত রাজীব-মীম এর সহপাঠীর সাক্ষ্যগ্রহণ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০১৮  

রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী  দিয়া খানম মিম ও আব্দুল করিম রাজীবের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। বুধবার (৭ নভেম্বর ) সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। একইসঙ্গে পরবর্তী সাক্ষীর জন্য বৃহস্পতিবার তারিখ ধার্য করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল এ তথ্য জানান।

 

বুধবার আদালতে সাক্ষ্য দেন সোহেল রানা, মেহেদী হাসান সাগর ও মেহেদী হাসান জীবন। তারা নিহতদের সহপাঠী। এছাড়া ঘটনার দিন এ তিন শিক্ষার্থীও আহত হন। এ নিয়ে দশজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন—জাবালে নূরের মালিক মো. শাহাদাত হোসেন আকন্দ, চালক মাসুম বিল্লাহ, হেলপার মো. এনায়েত হোসেন, চালক মো. জোবায়ের সুমন, অপর বাসমালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও হেলপার মো. আসাদ কাজী। এর মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মো. আসাদ কাজী পলাতক।  

 

গত ২২ অক্টোবর এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর গত ২৫ অক্টোবর এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন আদালত।

এরআগে, গত ৬ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম এ মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আসামিদের বিরুদ্ধে  দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগপত্রে ৪১ জনকে সাক্ষী দেখানো হয়। এছাড়া, ছয় ধরনের আলামত জব্দ দেখানো হয়। যার মধ্যে রয়েছে তিনটি বাস ও তিনটি ড্রাইভিং লাইসেন্স।

 

উল্লেখ্য, গত  ২৯ জুলাই দুপুরে কালশী ফ্লাইওভার থেকে নামার মুখে এমইএস বাস স্ট্যান্ডে ১৫/২০ জন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ছিলেন। জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় মুখেই দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে আরেকটি দ্রুতগতি সম্পন্ন জাবালে নূরের বাস ওভারটেক করে সামনে আসতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললেই পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুই জন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই ঘটনায়  ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিহতে মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মেহেরপুর বার্তা
মেহেরপুর বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর